Sunday, December 15, 2024

হযরত মাওলানা জালালুদ্দিন রুমি (রহ.)’র মহা পবিত্র কালাম/অমৃত বাণী মোবারক - Amrit Saying's - Sufi Saying's




1. হারিয়ে না গেলে পাওয়া সম্ভব নয়।

2. আকাশ কেবল হৃদয় দিয়েই ছোঁয়া যায়।

3. প্রদীপগুলো আলাদা কিন্তু আলো একই।

4. যা তোমাকে পরিশুদ্ধ করে, সেটিই সঠিক পথা

5. শুধু তৃষ্ণার্ত পানি খুঁজে না পানিও তৃষ্ণার্তকে খোঁজে।

6. বৃক্ষের মতো হও, আর মরা পাতাগুলো ঝরে পড়তে দাও।

7. ঘষা খেতে যদি ভয় পাও, তাহলে চকচক করবে কীভাবে?

8. তুমি এ ব্রহ্মাণ্ডে(পৃথিবীতে) গুপ্তধনের, কিন্তু প্রকৃত গুপ্তধনতো তুমি নিজেই।

9. তোমার চালাকি বিক্রি করে মুগ্ধতা ক্রয় করে এনো লাভবান হবে।

10. প্রতিটা আত্মাই সোনা হয়ে যায় যখন প্রিয়তমার স্পর্শ পায়।

11. আপন মনকে শান্ত করো, দেখবে আত্মা নিজেই কথা বলছে।

12. সুরের মাধ্যমেই অন্তরের লুকায়িত রহস্যগুলো প্রকাশিত হয়।

13. যে কখনো বাড়ি ছাড়েনি, তার কাছ থেকে যাত্রার উপদেশ নিও না।

14. যে সৌন্দর্য তুমি আমার মাঝে দেখতে পাও, তা তোমারি প্রতিচ্ছবি।

15. পীরের নিকট হইতে মুখ ফিরিওনা, সেজদা কর নৈকট্য অর্জন কর।

16. গলে যাওয়া বরফের মতো হও, নিজেকে দিয়ে নিজেকে ধুইয়ে দাও।

17. একটি চেতনাপ্রাপ্ত শুদ্ধ মন জাগ্রত রূহ্ হাজার কাবা থেকে শ্রেষ্ঠতর।

18. এটা তোমার আলোই, তোমার আলোই এই জগতকে আলোকিত করে।

19. যে হৃদয় ভরপুর প্রেমের আগুনে তার প্রত্যেক কথাই হৃদয়ে ঝড় তোলে।

20. নতুন কিছু তৈরি করো, নতুন কিছু বলো। তাহলে পৃথিবীটাও হবে নতুন।

21. এতদূর তোমাকে নিয়ে এসেছেন যিনি আরও সামনে নিয়ে যাবেন তিনিই।

22. সিংহকে তখনই সুদর্শন দেখায় যখন সে খাবারের খোঁজে শিকারে বেরোয়।

23. তুমি সাগরে এক বিন্দু পানি নও। তুমি এক বিন্দু পানিতে গোটা এক সাগর।

24. প্রদীপ হও, কিংবা জীবনতরী, অথবা সিঁড়ি। কারো ক্ষত পূরণে সাহায্য করো।

25. যে মুর্শিদকে খোদারূপে দেখে নাই সে মুরিদ নয়, সে মুরিদ নয়, সে মুরিদ নয়।

26. প্রতিটি মানুষ ভেতর থেকে ঠিক সেই কাজটি করার জন্যই তাড়না অনুভব করে।

27. তোমার হৃদয়টাকে ততক্ষণ পর্যন্ত ভাঙ্গতে থাকো যতক্ষণ পর্যন্ত তা না খুলে যায়।

28. শোক করো না। তুমি যাই হারাও না কেনো তা অন্য কোনো রূপে ফিরে আসবে।

29. তুমি কি তোমার আত্মার? তবে তোমার মনের খাঁচা (আমিত্ব) থেকে অবমুক্ত হও।

30. হতাশ হয়ো না! তীব্র হতাশার মূহুর্তগুলোতেই আল্লাহ আশার আলো পাঠিয়ে দেন।

31. তোমার ক্ষুদ্র জগৎ থেকে বের হয়ে আসো এবং স্রষ্টার অসীম জগতে প্রবেশ করো!

32. সৃষ্টিকর্তার প্রেমে আপন আত্মা খুইয়ে দাও, বিশ্বাস কর; এ ব্যতীত কোন পথ নেই।

33. শেখার জন্য তুমি পড়াশোনা করো, কিন্তু বুঝতে হলে তোমার প্রয়োজন ভালোবাসা।

34. মোমবাতি হওয়া সহজ কাজ নয়। আলো দেওয়ার জন্য প্রথম নিজেকেই পুড়তে হয়।

35. তোমার হৃদয়ে যদি আলো থাকে, তাহলে ঘরে ফেরার পথ তুমি অবশ্যই খুঁজে পাবে।

36. কেউ যখন কম্বলকে পেটাতে থাকে তখন সেটা কম্বলের বিরুদ্ধে নয়, ধুলোর বিরুদ্ধে।

37. যেই অনুপ্রেরণা তুমি খুঁজে চলেছ, সে তোমার মাঝেই বিদ্যমান, নিশ্চুপ হও আর শোনো।

38. তোমার হৃদয়ে আগে মধুরতা খোঁজ করো, তাহলে সব হৃদয়েই তুমি মধুরতা খুঁজে পাবে।

39. পীরের হাত অদৃশ্য জগৎ হতে দূরে নয়। তার হাত আল্লাহর হাত ব্যতীত আর কিছুই না।

40. তোমার অন্তরের চোঁখ খোল, চেয়ে দেখ এই দুনিয়া একটা মায়া স্বপ্ন ছাড়া আর কিছুই না।

41. যখন আমি নিরব হই তখন আমি এমন স্থানে পৌঁছাই যে সেখানকার সকল কিছুই সঙ্গীত।

42. তুমি স্রষ্টার প্রেমে পাগল হয়ে যাও, সমস্ত সৃষ্টি তোমার সেবা করার জন্য পাগল হয়ে যাবে।

43. আমাদের চারপাশেই সৌন্দর্য ছড়িয়ে রয়েছে। কিন্তু এটা বুঝতে হলে বাগানে হাঁটতে হবে।

44. সারাজীবন একই ভুল করলাম। নিজের চেহারার ধুলা না মুছে কেবল আয়না মুছে গেলাম।

45. শব্দ দিয়ে প্রতিবাদ করো, কণ্ঠ উঁচু করে নয়। মনে রাখবে ফুল ফোটে যত্নে বজ্রপাতে নয়।

46. অন্যের জীবনের গল্প শুনে সন্তুষ্ট হয়ো না, নিজের পথ তৈরি করো, নিজের জীবন সাজাও।

47. আজন্ম সমুদ্রের লোনাজল পানকারীর কাছে সুপেয় মিঠা পানি পানের মজা বোঝানো দুষ্কর।

48. যে তোমাকে সত্যিই মন দিয়ে ভালোবাসবে সে তোমাকে সব রকম বন্ধন থেকে মুক্ত রাখবে।

49. আপন অন্তর আত্মার সাথে পরিচিত হবার ক্ষুধা অন্য সকল কামনা আকাঙ্ক্ষাকে ক্ষান্ত করবে।

50. তোমার মুর্শীদকে তোমার কালবে বসাও দেখবে তুমি, ঐশ্বরিক আলোতে আলোকিত হয়েছ।

51. তুমি জন্মেছিলো দু’টি ডানা নিয়ে। কেন তবে জীবনভর হামাগুড়ি দিতেই তোমার এত পছন্দ”

52. ভালোবাসার জগতের পথিক হতে চাও? তবে নিজেকে ধুলো-ছাইয়ের মত নমনীয় করে ফেলো।

53. যে বাতাস গাছ উপড়ে ফেলে সেই বাতাসেই ঘাসেরা দোলে। বড় হওয়ার দম্ভু কখনও করো না।

54. তোমার জন্ম হয়েছে পাখা নিয়ে উড়ার ক্ষমতা তোমার আছে। তারপরও খোঁড়া হয়ে আছো কেন?

55. কখনো আশা হারিয়ো না, হে আমার হৃদয়। অদেখার জগতে তো অনেক অলৌকিক ঘটনার বসবাস।

56. প্রতিটি মানুষকে একটা নির্দিষ্ট কাজের জন্য তৈরি করা হয়েছে এবং সেই কাজটি তার হৃদয়ে গ্রন্থিত আছে।

57. তুমি ঘুমন্ত অথবা জাগ্রত, লেখো কিংবা পড়, যাই করো না কেনো, এক মুহূর্তও খোদাকে স্মরণ না করে থেকে না।

58. আমি কুরআনের মগজ (মূলবস্তু) তুলে নিয়েছি, আর অস্থিচর্ম শৃগাল-কুকুররের জন্য রেখে দিয়েছি।

59. তোমার সব চাইতে বড় শত্রু তোমার নিজের ভেতরই লুকিয়ে আছে সে হচ্ছে তোমার মিথ্যা অহং।

60. যে অনুপ্রেরণা তুমি বাইরে খুঁজছো, তা তোমার নিজের ভেতরেই আছে। নীরব হও এবং তা শোন।

61. দুই ব্যক্তি কখনও সন্তুষ্ট নয়- বিশ্বকে যে ঘুরে দেখতে চায় আর যে আরও জ্ঞান আহরণ করতে চায়।

62. তোমার নিজের হৃদয়ের মাধুর্য খুঁজে বের করো, তখন সম্ভবত সবার হৃদয়ের মাধুর্য তুমি খুঁজে পাবে।

63. সুন্দর ও উত্তম দিন তোমার কাছে আসবে না; বরং তোমারই এমন দিনের প্রতি অগ্রসর হওয়া উচিত।

64. সব কিছু জেনে ফেলাই জ্ঞান নয়, জ্ঞান হলো কী কী এড়িয়ে যেতে হবে বা বর্জন করতে হবে তা জানা।

65. যা কিছু হারিয়েছো তার জন্য দুঃখ করো না। তুমি তা আবার ফিরে পাবে, আরেকভাবে আরেক রূপে।

66. প্রেম কোন ভিত্তির উপর দাঁড়িয়ে থাকে না, প্রেম অসীম সাগরের মত, যার কোন প্রারম্ভ বা সমাপ্তি নেই।

67. যখন তুমি ক্রোধের অবয়ব দেখতে পাও, তার গভীরে লক্ষ্য কর, সেথা তুমি দম্ভের অবয়ব দেখতে পাবে।

68. যদি তুমি আধ্যাত্মিক জগতের কাউকে পাও তবে বিনয়ের সাথে কথা বলো এবং কিছু শেখার আগ্রহী হও।

69. আমরা তো সেই লোকটির মতো। যে গাধার পিঠে বসে গাধার কাছেই জানতে চায় যে কোথায় যেতে হবে!!!

70. আত্মাকে শোনার ক্ষমতা দিয়ে যে কান দান করা হয়েছে তা এমন কিছু শুনতে পায় মন যা বুঝতেও পারে না।

71. সুফিগণ প্রেমিক, ধৈর্যই তাঁদের পোষাক। তাঁরা জানেন যে, পূর্ণিমার আলো দিতে চাঁদকে পূর্ণ হতে সময় লাগে।

72. আমি অনেক মসজিদ, মন্দির, গীর্জা ঘুরেছি কিন্তু পরম সত্ত্বাকে কেবল নিজের মধ্যেই অনুধাবন করতে পেরেছি।

73. এমনকি বসন্তে অস্তিত্ব লাভ করা বস্তুও শরতের শেষে এসে ক্ষয়ে যায়, কিন্তু প্রেম! সে তো কোন নির্দিষ্ট মৌসুমের নয়।

74. সুঁচে গাঁথিবার সুতা কখনও দু’পাল্লা হয় না, তুমি যখন আমার সাথে এক হইয়া গিয়াছ তখন এক সুঁচে প্রবেশ কর।

75. তুমি যত বেশি নিশ্চুপ থাকবে, তত বেশি শুনতে পাবে। তোমার চোখের পাতা তোমার হৃদয় থেকে কবিতা লিখবে।

76. যেদিন তোমার প্রেম আমায় স্পর্শ করব সেদিন আমি এতোটাই উন্মাদ হবো যে, সকল উন্মাদ ও আমা হতে পালাবে।

77. যে তার জ্ঞান দিয়ে মনের খারাপ ইচ্ছাগুলোকে জয় করতে পারে, সে স্বর্গের ফেরেশতাদের থেকেও বেশি সম্মানিত।

78. তোমার কাছে যা-ই আসুক না কেন তুমি কৃতজ্ঞ থেকো, কেননা তোমার কাছে যা পাঠানো হয় তা তার পক্ষ থেকে পথনির্দেশ।

79. হে প্রিয় বৎস! তোমার উপর যদি মুর্শিদের ছায়া না থাকে, তবে শয়তানের ওয়াসওয়াসাহ তোমাকে সর্বদা অস্থির করে রাখবে।

80. তুমি তাদের এড়িয়ে যাও যারা তোমাকে ভীত সন্ত্রস্ত ও দুঃখিত করে, যারা তোমায় রোগ ও মৃত্যুর দিকে টেনে নিয়ে ফেলবে।

81. আউলিয়াগণ (হৃদয়) মসজিদের ভিতরেই (অবস্থান করে) থাকেন উহাই আল্লাহ লাভের জন্য, সকলের (কাবা) সেজদার স্থান।

82. দুনিয়াবি সাধারণ দরজায় কষাঘাত করো না, তোমার হাত এতটাই প্রসস্থ যে, ইচ্ছে করলেই তুমি বেহেস্তী দরজার কড়া নাড়তে পার।

83. দিপ্তীমান মোমবাতির মত হওয়া মোটেও সহজ নয়! অন্যকে আলোকিত করতে চাইলে সর্বপ্রথম নিজেকে আগুনে পুড়ে শুদ্ধ হতে হয়।

84. এই পথটা তোমার, তুমি পথ চলো একা। তোমার চলার পথে হয়ত কেউ সঙ্গী হবে। কিন্তু তোমার পথটা অন্য কেউ হেঁটে দিবে না।

85. গতকাল আমি বুদ্ধিমান ছিলাম, তাই পৃথিবীটাকে বদলে দিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু আজ আমি জ্ঞানী, তাই নিজেকে বদলে ফেলতে চাই।

86. তোমাকে ঘিরে থাকা কালো মেঘ থেকে নিষ্কৃতি লাভ করো! এরপর দেখবে তোমার নিজের আলো পূর্ণিমার চাঁদের মতই উজ্জ্বল!

87. যদি কামেল লোকের সোহবত ক্ষণিকের জন্যেও পাও, তাহা গ্রহণ করো। জেনে রেখো, তাহা হাজার বছরের ফকিরি হতেও উত্তম।

88. যখনই নিজের স্বার্থপর সত্ত্বার উপর বিজয় অর্জন করতে পারবে, ঠিক তখনই মনের সমস্ত অন্ধকার আলোতে রূপান্তরিত হয়ে যাবে।

89. তোমার দু’টো চোখকেই বন্ধ করে দাও। যদি অন্য চোখটি দিয়ে দেখতে চাও। তুমি যত বেশি নিশ্চুপ থাকবে, তত বেশি শুনতে পাবে।

90. মানুষ যতক্ষণ অন্যায় অসত্যের বন্ধনে থাকে ততক্ষণই অদৃশ্য খোদার এবাদত করে এবং নবী ও রাসুলগণের মধ্যে পার্থক্য সৃষ্টি করে।

91. আমাকে দেখতে অস্থির মনে হতে পারে, কিন্তু আমার গভীরে আমি শান্ত ও স্থির। গাছের শাখারা দুলতে থাকে কিন্তু তার শেকড় থাকে দৃঢ়।

92. অনেক মানুষ দেখেছি যাদের জড়িয়ে রাখার মতন কোন কাপড় ছিল না, অনেক কাপড় দেখেছি যা যাদের জড়িয়ে রেখেছিলো তারা মানুষ ছিল না।

93. নিরবতা হলো মহাসাগর। কথা হলো নদী। যখন মহাসাগর তোমাকে খুঁজছে তখন নদীর মাঝে হেঁটোনা। মহাসাগরের ডাকে সাড়া দাও।

94. দুনিয়াদারীর কথাবার্তা ধুলাবালির ন্যায় মানুষের হৃদয়কে ময়লা করে দেয়। যে যত বেশি চুপ থাকবে, তার আধ্যাত্মিক উন্নতি তত বেশি হবে।

95. তোমার কিছু চিন্তাকে ঘুম পাড়াও ওদের ছায়া হতে দিও না, তোমার অন্তরের চাঁদটাকে ঢেকে ফেলে যে ছায়া। ছায়ারূপী ভাবনায় নিমগ্ন থেকো না।

96. আমি জিজ্ঞেস করলাম, ‘তুমি কে?’ সে বলল, সমস্ত কিছুর নকশা, আমি জিজ্ঞেস করলাম, তাহলে আমি কে?’ সে বলল, সেই নকশার ইচ্ছাই হচ্ছো তুমি।

97. নবী মোস্তফা(স) হচ্ছেন আল্লাহর নূরানী-তাজাল্লী দর্শনের আয়না স্বরূপ। ঐ আয়নাতেই আল্লাহ্’র পবিত্র জাতের সব কিছু প্রতিবিম্বিত ও প্রতিফলিত হয়।

98. তরীকতের পথে পরিপক্ব না হওয়া পর্যন্ত মুর্শিদের সম্পর্ক ত্যাগ করিও না। যতক্ষণ পর্যন্ত বারি বিন্দু হইতে মুক্তা না উৎপন্ন হইবে, ঝিনুক হইতে পৃথক হইও না।

99. অন্যদের জীবনের ঘটনাগুলো কেমন করে ঘটেছে, অন্যদের গল্প শুনে সন্তুষ্ট হয়ে যেয়ো না। নিজ জীবনের লুকিয়ে থাকা কল্পকাহিনীর পর্দা উন্মোচিত করো।

100. অর্ধেকটা জীবন হারিয়ে যায় অন্যদের খুশি করতে গিয়ে! বাকি অর্ধেকটা হারায় অন্যদের কারণে তৈরি হওয়া দুশ্চিন্তা ও উৎকন্ঠায়! এই খেলা ছাড়ো, যথেষ্ট খেলেছো তুমি।

101. তুমি ভালোবাসা খুঁজতে যেয়ো না, ও তোমার কাজ নয়। বরং খেয়াল করে দেখো তোমার ভিতরে কী কী প্রাচীর তুমি গড়ে তুলেছ যা তোমাকে ভালোবাসা থেকে বঞ্চিত করছে।

102. সমস্ত উদ্বেগ মুছে ফেলে একদম মুক্ত হয়ে যাও, চিন্তা করো তার কথা যিনি সকল চিন্তাকে সৃষ্টি করেছেন। যখন সমস্ত দ্বার এখনো এত অবারিত কেন তুমি তবু বন্দীশালাতেই বাস করো?

103. হতাশ হয়ো না! কেননা সবচেয়ে তীব্র হতাশার
মূহুর্তগুলোতে আল্লাহ আশার আলো পাঠিয়ে দেন। ভুলে যেয়ো না, চারপাশ আঁধার করে আসা ঘনকালো মেঘ থেকেই তুমুল বৃষ্টিটা হয়ে থাকে।

104. মানুষ হচ্ছে কথা বলার প্রাণী। তোমার ভিতরের প্রাণীটি যেমন সবসময় তোমার সাথে থাকে, তেমনি কথাও সারাক্ষণ সেখানে থাকে। মানুষ তিনটি আধ্যাত্মিক পর্যায়ের মধ্যে বাস করে!!!

105. এখন তুমি চুপ করে থাকো! ভেতরে যে কথা বলতে চায়, তাকে কথা বলতে দাও। তিনি দরজা সৃষ্টি করেছেন, দরজার তালাও তৈরি করেছেন এবং এটা খোলার চাবিও তিনিই তৈরি করেছেন।

106. তুমি যদি আমার মাজার জিয়ারতে আস, আমি হাত জোড় করে অনুরোধ করছি, নাচতে থেকো, ঢোল ছাড়া আমার মাজারে এসোনা, কেননা আল্লাহ্’র ভোজ সভায় নিরানন্দ শোভা পায় না।

107. তুমি এখন চুপ করো। যিনি পৃথিবীর সকল শব্দগুলোকে সৃষ্টি করেছেন তাকেই কথা বলতে দাও। তিনিই দরজা সৃষ্টি করেছেন, তিনি তালা সৃষ্টি করেছেন এবং তার চাবিও তিনিই সৃষ্টি করেছেন।

108. যদি তুমি চাঁদের প্রত্যাশা কর, তবে রাত থেকে লুকিয়োনা। যদি তুমি একটি গোলাপ আশা কর তবে তার কাঁটা থেকে পালিয়োনা, যদি তুমি প্রেমের প্রত্যাশা করো, তবে আপন সত্তা থেকে হারিওনা।

109. ভক্তি ও মোহব্বতের সাথে একজন কামেল গুরুর হৃদয়ের সাথে সংযোগ স্থাপন করতে পারলে, হজ্জে আকবরের সওয়াব পাওয়া যায়। কারণ, হাজার হাজার কাবার চাইতে এরূপ একটি হৃদয় শ্রেষ্ঠ।

110. যে পর্যন্ত তুমি কোন পীরের শরণাপন্ন না হবে। তাঁর গৃহের চৌকাঠকে নিজের বালিশ না বানাবে এবং তাঁর নির্দেশ অনুসারে কঠোর সাধনায় লিপ্ত না হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত তুমি অন্তর দৃষ্টি লাভ করতে পারবে না।

111. কড়া নাড়ো, তিনি তোমায় দরজা খুলে দেবেন বিলীন হয়ে যাও, তিনি তোমায় সূর্যের মত উজ্জ্বল করবেন লুটিয়ে পড়ো, তিনি তোমায় বেহেশতে তুলে নেবেন নিজেকে রিক্ত করো, তিনি তোমায় সবকিছু দিয়ে পূর্ণ করবেন।

112. পেছন ফিরে দেখিয়ো না। কেউ জানে না ঠিক কেমন অবস্থায় পৃথিবী শুরু হয়েছিলো। ভবিষ্যত নিয়ে ভয় করো না, কোনকিছুই চিরকাল থাকবে না। তুমি যদি অতীত আর ভবিষ্যতেই ডুবে থাকো, তুমি বর্তমানকে হারিয়ে ফেলবে।

113. স্বর্ণ ও রৌপ্য এমন কী বস্তু যার জন্য তুমি পাগল হয়ে যাচ্ছো? এই দুনিয়া এমন কী জিনিস যার জন্য তুমি মজনু হয়ে যাও? তোমার এ ঘর-বাড়ি, বাগবাগিচা এ সবই তোমার কারাগার। তুমি সাময়িক এসবের মহব্বতে আবদ্ধ আছ মাত্র!

114. যখন অন্যকে অনুকরণ করলাম, তখন আমি অন্ধ ছিলাম। যখন অন্যের ডাকে সারা দিয়ে এলাম, তখন আমি পথভ্রষ্ট ছিলাম। এরপর আমি সবাইকে বিসর্জন দিলাম, নিজেকেসহ। এরপর আমি সবাইকে খুঁজে পেলাম, নিজেকেসহ।

115. তুমি যদি মারেফাতের নূর চাও, তবে মুর্শিদে কামেলের সাহচার্যে থাকিয়া নূরের প্রতিভা ও যোগ্যতা অর্জন কর। আর যদি আল্লাহর রহমত থেকে দূরে থাকিতে চাও, তবে অহংকার ও খোদপছন্দী কর এবং অলীর দরবার থেকে দূর হয়ে যাও।

116. সঙ্গীত হল সকল প্রকার ভালবাসার মূল উপাদান। এটাকে অন্তরে তুলে নাও, তাহলে মনের বিশাল রাজ্যের ধুলিকনাগুলো চমকাতে শুরু করবে। সুপ্ত প্রতিভা জেগে উঠবে। সঙ্গীত শোনো, তাহলে মনে আনন্দ ও স্বর্গীয় প্রশান্তি লাভ করতে পারবে।

117. প্রথম পর্যায়ে আমরা আল্লাহর প্রতি কোন মনোযোগ দেই না। আমরা শুধু পৃথিবীর আবর্জনা, সম্পদ, শিশু, পুরুষ ও নারীকে লক্ষ্য করি!!! দ্বিতীয় পর্যায়ে আমরা ইবাদত ছাড়া আর কিছু করি না। তৃতীয় এবং সবচেয়ে অগ্রসর পর্যায়ে আমরা নিরব হয়ে যাই৷৷৷

118. সূর্যের মতন হও মানুষকে অনুগ্রহ ও দয়া করায়। রাতের মতন হও অন্যদের ভুলগুলো ঢেকে দেয়ায়। বয়ে চলা স্রোতধারার মতন হও উদারতায়। মৃত্যুর মতন হয়ে যাও রাগ ও ক্ষুব্ধতায়, মাটির মতন হও বিনম্রতায়, তুমি যেমন তেমন করেই নিজেকে প্রকাশ করো। যেমন করে নিজেকে প্রকাশ করো, তেমনটিই হও।

119. আমার হৃদয়ের আকার তো ক্ষুদ্র, এতটাই ছোট যে তা প্রায় দেখাই যায় না। এত বিশাল পরিমাণ দুঃখ বেদনা আমি কীভাবে ধারণ করবো এতে? তিনি উত্তর দিলেন, “খেয়াল করে দেখো, তোমার চোখটাও তো অনেক ক্ষুদ্র। কিন্তু এই চোখে তো তুমি গোটা বিশ্বজগতকেই ধারণ করো।”

120. আমি বললাম: আমার চোখ দুটোর কী হবে?
তিনি বললেন: পথের উপর তাদের স্থির রাখো।
আমি বললাম: আমার কামনার কী হবে?
তিনি বললেন: ওদের পুড়তে দাও।
আমি বললাম: আমার হৃদয়ের ব্যাপারে বলুন?
তিনি বললেন: এর মাঝে কী আছে তা আমাকে
বলো।
আমি বললাম: কষ্ট আর ব্যথা।
তিনি বললেন: এগুলো থাকুক তোমার হৃদয়েই।
ক্ষতগুলো তো এমনই স্থান যার ভেতর দিয়ে তোমার
মাঝে আলো প্রবেশ করে।

121. বিদায় শব্দটা তাদের জন্য খাটে যারা কেবল চোখ দিয়ে মানুষকে ভালবাসে। কিন্তু যারা অন্তর বা আত্মা দিয়ে মানুষকে ভালবাসে তাদের বেলায় বিদায় বলে কোন শব্দ নেই।

122. হে পাপী নিরাশ হয়ো না। কেননা, সূর্যদয় হলে উহার কিরণ যেমন বাদশাহর প্রাসাদে পরে, তেমনি গরীবের জীর্ণ কুটিরকেও আলোকিত করে।

#Rumi #JalaluddinRumi #RumiQuotes 
#AmritSayings #SufiSayings 

Thursday, January 11, 2024

Saturday, January 1, 2022

SHAHAB UDDIN : 116th Holy Urs Sharif | 10 Magh 1428 | 24 January ...

SHAHAB UDDIN : 116th Holy Urs Sharif | 10 Magh 1428 | 24 January ...: Gausul Azam Hazrat Maulana ShahSufi   SYED AHMED ULLAH SHAH   Maizbhanderi   (Q.) 116th Holy URS Sharif 10 Magh 1428  24 January 2022 You Ar...

Wednesday, August 11, 2021

Tuesday, July 20, 2021

হযরত হাসান বসরী (রহ.)' কিছু মহামূল্যবান "অমৃত বাণী AMRIT SAYING'S"



হযরত হাসান বসরী (রহ.)' কিছু মহামূল্যবান - " অমৃত বাণী "

"যে নিজেই ব্যাধিগ্রস্ত, সে অন্যের চিকিৎসা কিভাবে করবে? পথভ্রান্ত যে, সে কি অন্যের পথ দেখাতে পারে?"

"আমি কেবল আল্লাহর স্বানিধ্য তথা জান্নাত চাই। মানুষ থেকে নিরাপত্তা নয়। এদের জিহ্বা থেকে স্বয়ং আল্লাহও রেহাই পাননি।"

"যদি স্বয়ং আল্লাহ আপনার সঙ্গে থাকেন আর আপনার পূর্ণ আস্থা অটুট থাকে, তাহলে আর ভাবনা কিসের? আর এ কথায় যদি আপনার আস্থা না থাকে তাহলে অন্যের উপদেশে কোনো ফল হবে না।"

"দুনিয়ার প্রতি তীব্র আসক্তির ফলেই হৃদয়-মনের মৃত্যু ঘটে।"

"মানুষ ছাগল ভেড়ার চেয়েও অসাবধান। রাখালের ডাক শুনে পশুরা ঘাস খাওয়া ছেড়ে তার কাছে ছুটে যায়। মানুষ তার প্রতিপালকের আহ্বানে কর্ণপাতই করে না।"

"মন্দলোকের সঙ্গে সংসর্গ ভালো লোকের সঙ্গে সদ্ভাব প্রদর্শনে বাধা সৃষ্টি করে।"

"হৃদয়ে যখন প্রভূ বিরোধিতার লেশমাত্র থাকে না, বুঝতে হবে তখনই মারেফত অর্জিত হয়েছে।"

"রহিরঙ্গের আনুষ্ঠানিকতা দ্বারা জান্নাত লাভ করা যায় না। প্রয়োজন মনের একাগ্রতা ও কঠোর সাধনা ।"

"মনের আয়নায় যখন শুধু সৎ ভাবনা প্রতিফলিত হয়, তখন জানতে হবে সঠিক পথেই রয়েছি। আর যদি উঠে আসে অসৎ চিন্তা, তাহলে বুঝতে হবে অসৎ পথেই রয়েছি।"

"যার কথা না আছে যুক্তি আর না আছে বুদ্ধি, সে কথাতে কোনো উপকারই নেই। সে কথা শোনা মানেই শুধু শুধু সময় নষ্ট করা।"

( আধ্যাত্মিক ও মারেফত এর গোপন রহস্য'ময় কথা ) 

"নিবিড় নির্জন চিন্তায় যার মন আল্লাহকে জানতে না পারে, সে নিশ্চয় পার্থিব জীবনের প্রতি মোহাচ্ছন্ন। অথবা অলস।"

"যে প্রবৃত্তিকে বশীভূত করেছে, সে স্বাধীনতা লাভ করেছে।"

"যে হিংসা দ্বেষ ত্যাগ করেছে, সে বন্ধুত্বের উপযুক্ত হয়েছে।"

"আল্লাহ ভীতির লক্ষন তিনটি। ১.তিনি সর্ব অবস্থায় সত্য বলেন। ২.মন্দ রিপুকে দমনে রাখেন। ৩.আল্লাহর সন্তুষ্টিতে নিজেকে ব্যাপৃত রাখেন।"

"এক পলকের পার্থিব অনাসক্তি হাজার বছরের ইবাদত হতে মূল্যবান।"

"অন্তরে বাহিরে অমিলই হলো প্রবঞ্চনার লক্ষন।"

"তিনিই প্রকৃত বিশ্বাসী যিনি আল্লাহর শপথ করে বলতে পারেন তিনি বিশ্বাসী।"

"যিনি ধীরস্থির, সাধনায় দিন যাপন করেন আর অপ্রয়োজনীয় কথা বলেন না, তিনিই প্রকৃত বিশ্বাসী।"

"পার্থিব আসক্ত মানুষ তিনটি আক্ষেপ নিয়ে কবরে যায়। ১.ধনের উপার্জন ও সঞ্চয়ের অতৃপ্তি ২.আশা আকাঙ্খা পূরণ না হওয়ার ক্ষোভ ৩.পরকালের পাথেয় অর্জন না হওয়ার ব্যাথা।"

"পার্থিব জীবন যেনো একটা গচ্ছিত সম্পত্তি। যখন খুশি মালিকের হাতে সঁপে দিয়ে চলে যাওয়া যায়। এ ভাবনা যারা করেন তাদের মনে কোনো দুঃখ-অশান্তি সৃষ্টি হয় না।"

"তিনিই বুদ্ধিমান যিনি পার্থিব সৌধ ভেঙ্গে তার ওপর গড়ে তোলেন পারলৌকিক ইমারত।"

"যিনি আল্লাহকে চিনেছেন তিনি আল্লাহর সঙ্গে বন্ধুত্ব করেছেন। আর যিনি দুনিয়াকে চিনেছেন তিনি আল্লাহর সাথে শত্রুতায় লিপ্ত হয়েছেন।"

"মানুষের রিপুগুলোকে খুব শক্ত শেকলে বেঁধে রাখতে হয়।"

"আল্লাহ যাকে ‍ঘৃণিত করে দিয়েছেন, সেই দুনিয়ার প্রতি আসক্ত।"

"যে মানুষ অন্য মানুষদের বশীভূত করতে চায়, সে জ্ঞানী নয়। তার অন্তরে রয়েছে অসৎ উদ্দেশ্য।"

"অন্যকে কোনো কঠোর আদেশ দানের পূর্বে সে আদেশ নিজের চর্চা করা চাই।"

"যে অন্যের দোষ তোমাকে বলে, সে নিশ্চয়ই তোমার দোষও অপরকে বলে।"

"আমার ধর্মাবলম্বী ভাই সহোদর ভাইয়ের চেয়েও প্রিয়। যদি তার মধ্যে প্রকৃত দ্বীন থাকে।"

"যে নামাজ মনকে সংযত করে সে নামাজীই আল্লাহর কাছে ক্ষমার আশা করতে পারে।"

"যার দৃষ্টির মধ্যে আল্লাহর রহস্যময়তার আভাস নেই তারও দৃষ্টি জাগতিক ধুলাবালির দ্বারা আচ্ছন্ন।"

Saturday, June 5, 2021

আদমের গোপন রহস্য | অমৃত বাণী Amrit Saying's



“আদমের গোপন রহস্য”

প্রায়ই সবাই বলে, আদম প্রথম মানব। এই কথাটির মধ্যে বিরাট রহস্য লুকিয়ে আছে। আদমের আগে অনেক মানুষই ছিল। কিন্তু এই মানুষগুলোর মধ্যে কেবলমাত্র নফস ছিল, রুহ ছিল না।

যে মানুষটির মধ্যে সর্বপ্রথম আল্লাহ পাক রুহ ফুৎকার করে দিলেন, সেই মানুষটি একটি পরিপূর্ণ মানুষ। হে পরিপূর্ণ মানুষের নামই হলো আদম।
আল্লাহ পাক নফস ফুৎকার করেন না।নফল ফুৎকারের বিধান কোরান-এ নাই। তাই কুরান পাক বলছে, ওয়ামা ফাকতু মির রুহি, তথা আদমের মধ্যে আমি রুহ ফুৎকার করে দিলাম। আদমের আগে যে সকল মানুষেরা বসবাস করত তারা দেখতে ঠিক মানুষের মতো, কিন্তু রুহের অধিকারী ছিল না। সুতরাং চার্লস ডারউইনের বিবর্তনবাদকে যারা অস্বীকার করে, যারা মেনে নিতে চায় না, তারা জংলি।

তারা মানুষ আর আদমের পার্থক্যটি বুঝতে পারে না। না বুঝে, না শুনে অযথা বিবর্তনবাদকে অস্বীকার করে। তাই আল্লাহর ওলিরা বলে থাকেন যে, যারা আল্লাহর দর্শন পেয়েছেন, তারা আদম সুরতেই পেয়েছেন।

আদম হলো নফস এবং রুহের সংমিশ্রণে একজন পরিপূর্ণ মানুষ। যিসকো খোদাই দেখায় গায়িহে, বেশাক উস্কো সেকেলে আদমহি দেখায় গায়িহে। ইহা সতঃসিদ্ধ সত্য (ডিকটাম ট্রুথ)

মাওলা আলী বলেছেন, সেই আল্লাহর এবাদত আমি কখনোই করি নাই, যে আল্লাহকে আমি দেখি নাই, সেই আল্লাহটি মানবরূপী আল্লাহ।

সেই আল্লাহটির একটি সুন্দর নাম আছে, আর সেই নামটি হলো ইমামে কেবলা তাইনে, সরকারের দো আলম, ফকরে আরব, সর্দারে হাশমি আবুল কাশেম মোহাম্মদ (সঃ)। একাধারে মহানবী নফসের অধিকারী আবার অন্যদিকে পরিপূর্ণ রুহের অধিকারী।

কোরান বলছে, হযরত ঈসা মসিহ রুহুল্লাহকে জন্ম নেবার সঙ্গে- সঙ্গেই কেতাব দান করেছেন। কেতাব-এর অধিকারীরাই নবী এবং রসূল। এই বিষয়টি আমরা না বুঝে ভুল করে বসি। এবং এই ভুলের গর্তে সবাই কম-বেশি পড়ে যায়।

হিন্দু শাস্ত্রে ভগবান শ্রী কৃষ্ণকে বলা হয়েছে একাধারে নর, অন্যধরে নারায়ন, আরবিতে ওয়াজহুল্লাহ, পার্সিতে বান্দা নেওয়াজ।

পরিশেষে ছোট্ট করে বলতে চাই যে, পরিপূর্ণ মানুষরূপী আদমের পায়রবি করতে পারলেই দুই সমুদ্রের মিলনক্ষেত্র ক্ষেত্রে পৌঁছানো যায়। এক সমুদ্রের নাম নফস আরেক সমুদ্রের নাম রুহ। দুটোই পাশাপাশি চলে। কিন্তু রং-রূপ সম্পূর্ণ ভিন্ন।

এই সকল বিষয়বস্তু পরিপূর্ণভাবে না বুঝে, না জেনে সবাই গুরু সাজতে চায়, কিন্তু শিষ্য হয়ে শিখতে চায় না।

সূত্র:- চেরাগে জান শরীফ কালান্দার বাবা জাহাঙ্গীর বা-ঈমান আল সুরেশ্বরীর রচিত


❝মারেফতের গোপনেরও গোপন কথা বই হতে❞
“কপি পোস্ট ”

ADMIN:
E-mail: shahab2info@gmail.com

Saturday, May 29, 2021

URS-E AKBAR | ওরছে আকবর | عـرس أكــبــر | Chattogram Darbar Sharif



URS-E AKBAR | ওরছে আকবর | عـرس أكــبــر

URS-E AKBAR | 5-8 JUNE 2021| Rahe Vander Silsila | Chattogram Darbar Sharif | Bangladesh !

#ওরছে_আকবর
#22-25 #জ্যৈষ্ঠ 1428
#URSeAkbar
#5-8 #June 2021

#Sufism
#RaheVanderSilsila
#ChattogramDarbarSharif
#Chattogram #Bangladesh

#RaheVander
#Website:

Admin: 🔎 SHAHAB UDDIN

Friday, April 23, 2021

SHAHAB UDDIN : URS-E-AKBAR | 5-8 JUNE 2021 | CHATTOGRAM DARBAR SH...

SHAHAB UDDIN : URS-E-AKBAR | 5-8 JUNE 2021 | CHATTOGRAM DARBAR SH...: URS-E AKBAR | 5-8 JUNE 2021| Rahe Bhander Silsila | at. Chattogram Darbar Sharif | Bangladesh !!! বিশ্ব জগতের মহান ত্রাণকর্তা মওলা নবী - হযর...

Thursday, March 18, 2021

SHAHAB UDDIN : কবরের আজাব (প্রচলিত মত) বলে কিছু নেই"

SHAHAB UDDIN : কবরের আজাব (প্রচলিত মত) বলে কিছু নেই": "কবরের আজাব (প্রচলিত মত) বলে কিছু নেই" কবি নজরুল বলেছেন: "আমার বিশ্বাস আত্মার তৃপ্তিই স্বর্গ সুখ, আর আত্মার প্রবঞ্চনার পীড়াই ...

Saturday, March 6, 2021

SHAHAB UDDIN : হযরত মওলানা শাহছুফি ছৈয়দ আব্দুল মালেক শাহ (ক.) রাহ...

SHAHAB UDDIN : হযরত মওলানা শাহছুফি ছৈয়দ আব্দুল মালেক শাহ (ক.) রাহ...: আসসালামু আলাইকুম, আশেকানে গাউছুল আজম রাহে ভান্ডারী (ক.) রাহে ভান্ডার ছুফি শিল্পী পরিষদের পক্ষ হতে সকলের প্রতি আন্তরিক মোবারকবাদ। মাইজভান্ডার...




YouTube:





Wednesday, March 3, 2021

SHAHAB UDDIN : ১৮তম মহাত্মা সম্মেলন - 18th Universal Sufi Festiva...

SHAHAB UDDIN : ১৮তম মহাত্মা সম্মেলন - 18th Universal Sufi Festiva...: ❝Universal Sufi Festival❞ ❝মহাত্মা সম্মেলন❞ (মহাত্মাগণের আত্মার আত্ম সংলাপ) তারিখ: ৭ চৈত্র ১৪২৭ বাংলা, ২১ মার্চ ২০২১ ইংরেজী, রবিবার। স্থান-...

Thursday, February 25, 2021

আল্লামা ছুফি ছৈয়দ জাফর ছাদেক শাহ (মা.)' কিছু মহামূল্যবান "অমৃত বাণী Amrit Saying's"


 

✍ আহলে বাইত ব্যতীত ইবাদত গ্রহনযোগ্য নয়।

✍ আ-লে রাসূলগণই আল্লাহর শক্তিতে শক্তিমান প্রতিনিধি।

✍ খেলাফত মানুষ প্রদত্ত, মওলায়্যাত আল্লাহ প্রদত্ত।

✍ যে সত্যকে অস্বীকার করে সে নাহক্ব।

✍ যে নিজের কাজে যত বেশী সৎ, সে আল্লাহর দরবারে তত বেশি মর্যাদাবান। তোমার কৃতকর্মের ত্রুটি বিচ্যুতি আল্লাহ যেমন জ্ঞাত নিশ্চয় তুমিও জ্ঞাত। কেননা তুমি জানলেই আল্লাহর জানা হয়ে যায়।

✍ আদি মওলা রেফারেন্স, বর্তমান মওলা সমাধান।

✍ কায়িক এবাদত, যাকাতে জিছমানী। 

✍ বিচ্ছেদ মওলা তালাশি মানুষকে মওলার পথে অগ্রসর হতে খুব বেশী সহায়তা করে।

✍ মৃত্যুর সময় আমল নয়, ঈমান সাথে নিয়ে যেতে হয়।

✍ মোতওয়াক্কলগণ সদা সর্বদা আল্লাহর আশ্রয়ে থাকেন।

✍ দলিলের আল্লাহ থাকে কাগজে,

দখলের আল্লাহ মু'মিনের ক্বলবে।

✍ প্রায়শ্চিত্তের ভয়ে কিংবা ভোগের আশায় নয়, নীতিতে উন্নত ব্যক্তিই কেবল ধার্মিক।

✍ পীর যখন লোভী এবং স্বভাবের দাস হয় তখন তার সহচর্য পার্থিব লাভ লোকসানের জন্য হয়ে থাকে, যিনি অন্তরের অধিকারী তার সহচর্য পরকালের জন্য হয়ে থাকে আর যিনি বাতেনের অধিকারী তার সহচর্য মওলার জন্য হবে।

✍ হে আদম সন্তানগণ, জ্ঞানের আলোকে আগমন করুন, আপনাতেই শ্রেষ্ঠত্ব; আপনিই তালাশ করুন।

✍ কালিমা পাঠ করা এবং ঈমান আনার মধ্য 

যে বিশাল পার্থক্য আছে? তা জানার বিষয়। 

          ঈমান আনায়ণে ঈমানদার হয়,

কালিমা পঠক ঈমানদার কিনা বোধগম্য নয়।

✍ আল্লাহর খোঁজ করুন। তালাশ করুন। আল্লাহ হাইয়্যুল কাইয়ুম, সব সময় ছিল, আছে এবং থাকবে। আমার নবী (দ.) হায়াতুন্নবী, তিনি সব সময় জীবিত। দেখতে বা সাক্ষাত করতে চেষ্টা করুন, উপযুক্ত মুর্শিদের তালাশ করুন।

                     মন মানু্ষ তোর আপন ঘরে 

                     বসে আছেন নিজ আকারে,

        খোঁজ কেন? মসজিদ গীর্জা ও মন্দিরে তারে।

                       জ্ঞান চক্ষু মেলে তাকাও,

                      রাহে ভান্ডারীর চরণ পরে।

 ✍ আল্লাহকে চিনে তাঁর প্রেমে বিভোর হয়ে, ভালোবেসে সকল ইবাদত করা প্রয়োজন।

✍ আল্লাহ জাল্লা শানুহুর প্রতিনিধি হে আদম সন্তান! তুমি আল্লাহর ছুরতদারী বনে যাও, আল্লাহর গুণে গুণান্বিত হও। 

আল্লাহ প্রদত্ত আমানত খেয়ানত করো না। কারণ আমানত ফেরত যোগ্য।

আল্লাহর রূপে রূপায়িত হও, কারণ ভিন্ন রূপে আসলের নিকট প্রত্যাবর্তন করা অসম্ভব। 

✍ হে উম্মতে মোহাম্মদী তথা আদম সন্তান! 

       তোমার মূল কি? তালাশ কর।

খোঁজ জগত চষে যেখানে তাঁর দর্শন পাবে 

    সেখানেই নিজেকে আত্মসমর্পণ কর।

✍"ধুর্তভোগি বাদশাহ মুয়াবিয়া ইবনে সুফিয়ান, খেলাফতে মোহাম্মদী (দ.) কে সুকৌশলে আড়াল করে, উমাইয়া খেলাফত প্রতিষ্টা করেন। এখানে সন্দেহের কোনো অবকাশ নাই"।

✍ পৃথিবীতে যা কিছু কল্যাণকর, পূণ্যময় ও সুন্দর, তা সবই ধর্ম। যা কিছু অকল্যাণকর, পাপযুক্ত ও অসুন্দর, সে সবই অধর্ম।

✍ পবিত্র কলেমাকে 'ইলমুল ইয়াকিন' হইতে পর্যায়ক্রমে 'আইনুল ইয়াকিন' এবং 'হক্কুল ইয়াকিন' এর মাধ্যমে খলিফাতুল্লাহ, ছফিউল্লাহ, নূরুল্লাহ বনিয়া যাও। 

জানি তাহা অতিব কষ্টসাধ্য যাহা ইয়াকিন দিয়া সম্ভব নহে। তাই উছিলাহ তালাশ কর।

✍ লৌহে মাহফুজে সু-অংকিত, সুরক্ষিত, সর্বোচ্চ সৌন্দর্যমন্ডিত 'নকশা' কলেমাকে নিজ আয়ত্বে আনার চেষ্টা কর।

✍ যিনি "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মোহাম্মদুর রাছূলুল্লাহ" বলেছেন, পড়েছেন, কহিছেন, গাহিছেন, আওড়াইছেন অথবা আবৃত্তি করেছেন এতে প্রমাণিত হয়না যে তিনি ঈমানদার। 

কারণ "ঈমান" বলা, পড়া, ক‌ওয়া, গাওয়া, আওড়ানো বা আবৃত্তির বিষয় নয়। আনার বিষয়।! 'আল্লাহ' এবং তাঁর প্রেরিত সত্ত্বা 'মোহাম্মদ'(দ.), যেখানেই থাকুন না কেন? সেখান হতে নিজের মধ্যে আনায়ন করা। 

ঐ দুই সত্ত্বা আসমান, জমিন, পাহাড়, সাগর, বন্দর, নগর, বন, জঙ্গল, মসজিদ, মন্দির, খেয়াং, পেগোড়া অথবা যেকোন উপাসনালয়ে থাকুক না কেন? সেখান থেকে নিজের মাঝে আনতে হবে। তবেই হবে ঈমানদার।

✍ দ্বীনে মোহাম্মদীর জন্য মওলা হোসাইনের কোরবানী, নবী পরিবারভূক্তদের কোরবানী আল্লাহর কাছে সবচেয়ে পছন্দের। কারবালা বিষাদময় নাছুতী জগতের অধিবাসীদের জন্য। নাছুতে অবস্থানকারীদের জন্য কারবালা বিষাদময় অধ্যায়, জবরুত লাহুতে সফররতদের জন্য এটা নিত্য বর্তমান। এটাই মেরাজ। এটাই মেরাজের স্বার্থকতা।

✍ আমার ঈমানে প্রতিষ্ঠিত মওলা"

(১) নিরাকার মওলা 'আল্লাহ' (জা.শা.)                                               

(২) আকারে মওলা 'মোহাম্মদ' (দ.)

(৩) প্রতিনিধি মওলা 'আলী' (কর.)

(৪) প্রাপ্ত মওলা আমার মোর্শেদ কিবলাহ (ক.)

কার দলিলে কি মিন করে তা আমার জানার বিষয় নয়। আমি শুধুমাত্র আল্লাহর বান্দা কোন দলিলের বান্দা নই। 

✍ প্রিয় ছুন্নী মুসলমান ভাইদের কাছে জানার আগ্রহে জিজ্ঞাসা-

বাদশাহ মুয়াবিয়ার কোন মুরিদী সিলসিলা দুনিয়াতে বিদ্যমান আছে কি? 

থাকলে সিলসিলার নাম কি? 

যাঁরা নিজেকে ক্বাদেরী ও রেযভী পরিচয় দিয়ে, বাদশাহ মুয়াবিয়ার ওরছ করেন। বাদশাহ মুয়াবিয়া, হুজুর গাউছে পাক (ক.) অথবা আলা হযরত কেবলার সিলসিলার আকাবিরে কিনা? 

না হয় লক্ষ লক্ষ জলিলুল ক্বদর ছাহাবাকে বাদ দিয়ে শুধুমাত্র জটিল ‌ও কুটিল বাদশা মুয়াবিয়া ইবনে সুফিয়ানের ওরছ আমারা কেন করব?

✍ বৃক্ষ তোর নাম কি?

মোর ফলেই পরিচয়

১.ছৈয়দ আবু তালেব------ ১.আবু সুফিয়ান বিন হারব

২.ছৈয়দ মওলা আলী-২. মুয়াবিয়া বিন আবু সুফিয়ান

 ৩.ছৈয়দ মওলা হোসাইন--৩.ইয়াজিদ বিন মুয়াবিয়া

 কোথায় পাহাড় এভারেস্ট---কোথায় পাঁঠা কেষ্ট ?

 ✍ মোয়াবিয়া ইবনে সুফিয়ানগং, মক্ষা বিজয়ের পর কালিমা পাঠান্তে মুসলমানের বেশ ধরেছেন। 

যেমন পলাশির যুদ্ধে মীর জাফর, জগৎ শেঠ, রাজ ভল্লভগং নবাব সিরাজউদ্দৌলার পক্ষে যুদ্ধে অংশগ্ৰহণ করেছেন। 

যেমন ১৯৭৫ এর ১৫ আগষ্টের পট-পরিবর্তনের পর গোলাম আযম, আব্বাস আলী, নিজামী, মোজাহীদ, মীর কাশিম আলীগং বাঙ্গালী বা বাংলাদেশী হয়েছেন। 

এখন যারা সুফিয়ান ইবনে মাবিয়াকেগংকে সমর্থন এবং ভালোবাসে‌? তারা বাংলার নবাব মীর জাফর আলী খানগং ও গোলাম আজমগং সমর্থনকারীদের মত বাঙ্গালী যেমন? অনুরূপ রাসুলুল্লাহ (দ.)র আদর্শ ধংসকারী ও বিরোধী মুসলমান।

যদিও তারা নামাজ, রোজা, হজ্ব ও যাকাত আদায় করে। 

হে মা'বুদ ঐরকম মোনাফেকী হতে আমাদেরকে হেফাজত করুন এবং আলে-পাকের সাথে হাশর করুন। আমিন!!!

✍ কালিমায়ে শাহাদাত, বাস্তব/ প্রত্যক্ষ ঈমান!

যেথা 'আল্লাহ'-'মোহাম্মদ" (দ.), নিত্য/সত্য প্রমান।

জরুরী কিন্তু 'ওয়াহ্দাতুল অজুদ' জ্ঞান?

হাকিকী পীরের বায়েতে মিলে, সদা বর্তমান। 

✍ আহলে পাককে বাদ দিয়ে, আহলে মোহাম্মদদের বাদ দিয়ে কোনো ইবাদাত সংঘঠিত হয় না, কোনো দোয়া কবুল হয় না, কোনো কাজের সূচনা হয় না; এটাই সত্য।

✍ আহলে বাইত নিজের উপযুক্ততা যুগে যুগে, সময়ে সময়ে প্রমাণ করেছেন। আল্লাহর গ্রহণযোগ্যতা তারা প্রমাণ করেছেন নিজের জীবনে; এমনকি কি অনেকাংশে নিজের জীবন দিয়ে যেমন মওলা হোসাইন (রা.)।

✍ মওলা আলী (কর )'র শানে কোরআন নাজিল হয়েছে, কোরআনের আয়াত আছে, আহলে মোহাম্মদের পক্ষে কোরআনে আয়াত আছে, আহলে মোহাম্মদের বিপক্ষে যারা ছিল তাদেরকে প্রতিষ্ঠিত করতে গেলে আমার মনে হয় এটা ঈমান বিধ্বংসী ব্যাপার।

✍ যে হয়েছে আল্লাহতে ফানা, 

     তার কোরবানি ষোল‌আনা।

     নফস পরস্তী, পশু মারন, 

     টাকা নষ্ট, শুধুই ভোজন।

     পুত্র বাবার হাতে কোরবান,

     আল্লাহর বন্ধু হলো প্রমাণ।




✍ "মানব অন্তরে সংরক্ষিত সুবিশাল পশু,

ধাতু নির্মিত ছুরি দিয়ে জবাই হয়না কবু!

    উক্ত পশু কোরবানি করিবে যদি?

    নতশিরে মুর্শিদ চরন সেব নিরবধি।"

✍ জান্নাত আমার উদ্দেশ্য নয়, মওলা আমার উদ্দেশ্য। আমি তালেবুল মওলা। আমার মতলুব আমার মওলা আল্লাহ, আমি তালেব। যার মতলুব জান্নাত, সে আল্লাহ পাবে কেমনে? তার নিয়্যতই তো খারাপ!

✍ সাবধান! হে আদম সন্তান! আপন সৃষ্টি, আপন অস্তিত্ব, স্বীয়সত্ত্বা সম্পর্কে, অভিজ্ঞতা অর্জন কর। অবশ্যই আমানত চাওয়া মাত্র ফেরতযোগ্য বা মালিকের কাছে হস্তান্তর যোগ্য।

✍ হে আদম সন্তান! তোমাকে আল্লাহর গঠন প্রকৃতি দিয়ে সৃষ্টি করেছেন। এর পবিত্রতা রক্ষা করতে স্বচেষ্ট হও। নিজের পরিচয় খোঁজ, কামেল পীরের এত্ত্বেবা কর। আল্লাহর পরিচয়ে পরিচিত হও। একমাত্র পীরে মগাঁই পারেন, তোমাতে তোমার পরিচয় ঘঠাতে।

✍ আদম সন্তান আমি, “সর্ব প্রথম আল্লাহর জাতি নূর থেকে নূরে মোহাম্মদী সৃষ্টি হল। তখন আমি সহ নূরে মোহাম্মদীর মধ্যে নিহিত ছিলাম। নূরে মোহাম্মদীর সৃষ্টির পূর্বে আমিসহ, নূরে মোহাম্মদীসহ আল্লাহর জাতি নূরে নিহিত ছিলাম”। যেমনঃ- {(নুরুল্লাহ)> (নূরে মোহাম্মদী)> (সমস্ত সৃষ্টি) (আমি আদম) অথবা {আমি আদম সন্তান <(আদম) <(নূরে মোহাম্মদী) <(নূরুল্লাহ) জাতে আল্লাহ}।

✍ "প্রত্যেক বস্তু তাঁর মূলের দিকে প্রত্যাবর্তনশীল"

হে আদম সন্তান! তুমিও তোমার জাত আল্লাহর দিকে প্রত্যাবর্তনশীল। তুমি তোমার পবিত্র জাত এর দিকে প্রত্যাবর্তন করার প্রস্তুতি গ্রহণ কর, না হয় তোমার নিস্তার নেই। 

✍ ঈমান ও ইসলাম, মোমেন ও মুসলমান পার্থক্য আছে। ঈমান সম্পূর্ণ অভ্যন্তরীন ও আন্তরিক বিষয় এবং রোজা, নামাজ, হজ্ব, যাকাত সম্পূর্ণ দৈহিক বিষয়। নামাজ, রোজা, হজ্ব, যাকাত আদায় করলে মুসলমান বলা যেতে পারে। তাকে ঈমানদার বলা যেতে পারে কিনা সন্দেহ আছে। সে মৃত্যু কালে ঈমান সঙ্গে নিয়ে যেতে পারে কিনা সন্দেহমুক্ত নয়।

                সূত্র- 'আদম' (মহান ছুরত ও ছীরত)

✍ হে আদম সন্তান! জ্ঞানের অন্বেষণ কর, অদৃশ্য জ্ঞাতদের স্মরণাপন্ন হও। যাদেরকে তিনি সেই অদৃশ্য জ্ঞান দান করেছেন এবং সে জ্ঞানকে হেফাজত করুন।

✍ কিভাবে আল্লাহ ও রাসূলের সাথে পরিচয় ঘটবে? এক্ষেত্রে আমার পরামর্শ- আল্লাহ ও রাসূলের পরিচিতি এবং সম্পর্ক স্থাপনকারী ব্যক্তি তথা ইনসানে কামেল পীরের হাতে বায়াত দান করে, আল্লাহ ও রাসূলের সাথে সম্পর্ক সৃষ্টি করুন।

✍ হে আদমের উত্তরাধীকারী! জ্ঞানের আলোয় আগমন করুন, (কোরআনে) উল্লেখিত কিতাব হেকমত ও অজ্ঞাত বিষয় বস্তু জানতে ও শিখতে নবী কিংবা নায়েবে নবী, যাঁরা নবীর প্রকৃত প্রতিনিধিত্ব করেন, তাঁদের নিকট গমন করুন। তাঁদের সাহচর্য গ্রহণ করুন। নিজেকে উৎসর্গ করুন। নিয়ামতের অধিকারী হোন।

✍ হে আদমজাদা! তালাশ কর (আল্লাহ এবং নবীকে) আপনার সাথে সব সময় রয়েছেন। আপনার সাথে সাক্ষাত করতে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। আপনি কেন অবহেলা করবেন। জ্ঞান অর্জন করুন। মহা জ্ঞানীর সান্নিধ্যে গমন করুন। নিজেকে সমর্পন করুন।

✍ হে আদম পুত্র! যথার্থ আদম দাবী করতে হলে ঐশী জ্ঞানী পীর তালাশ কর যে নিজের ও আল্লাহর খবর রাখেন। নবীকে জাহেরী ভাবে না পেলে, নায়েবে নবীর স্মরণাপন্ন হও। যার কাছে নবীজির খবর আছে বা যিনি নবীজিকে চিনেন এবং নবীজির পরিচয় দান করতে পারবেন বা তাঁর সাথে সাক্ষাত করাতে পারবেন।

✍ "ইনছানে কামেল” (পরিপূর্ণ আদম) এর নিকট থেকে গুপ্ত ব্যক্ত সকল প্রকার জ্ঞান অর্জন করুন। “জ্ঞানই মুক্তি”।

✍ আল্লাহর নৈকট্য লাভের জন্য পীরের একান্ত প্রয়োজন। একজন ইনসানে কামেল তথা আল্লাহর সাথে পরিচয় জ্ঞাত পীরই আপনাকে আল্লাহর সাথে পরিচয় করে দিবেন।

✍ হে জ্ঞানী মানবজাতি পরম করুণাময় আল্লাহ তায়ালা মানুষকে সৃষ্টি করতঃ লালন-পালন করছেন। তাঁকে চেনা, তাঁর পরিচয় লাভ করা একান্ত কর্তব্য। সমস্ত জগৎ তাঁকে চেনার জন্য সৃষ্টি করেছেন।

✍ ইবাদত দ্বারা মানবকুলের শ্রেষ্ঠত্ব বুঝা যায় না। মানুষ নিজ শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করতে একজন দক্ষ মুর্শিদ বা পীরের প্রয়োজন। পীরই আপনাকে আপনার নিজের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ শিক্ষা দান করবেন।

✍ খলিল বানাইল ঘর আল্লাহর তরে,

সবাই মানে আল্লাহ থাকে সেই ঘরে।

মক্কা শরীফ আল্লাহর ঘর ছেড়ে,

সাধন করেন নবী হেরার ভিতরে।

তাদের কথা কি বলা যায় বিচারে?

গুহা থুয়ে নিয়ত ক্বাবাপানে করে?

✍ আল্লাহর দিকে প্রত্যবর্তনকালে ঈমান সাথে নিয়ে যেতে হবে। ঈমান সাথে নেওয়ার অর্থ হল নিজ পরিচয় তথা আল্লাহ এবং আল্লাহর রাসূলের পরিচিতি চিনে, জেনে, দেখে দুনিয়া হতে আল্লাহর দিকে প্রত্যাবর্তন করতে হবে। এভাবে যারা আল্লাহর পরিচয় জ্ঞাত হন তারাই মুত্তাকীন।

✍ আদমের ভিতর আল্লাহর ছুরত কি? কিভাবে তাঁর অবস্থান? নিশ্চয় তা কেহ নিজে নিজে অবগত হতে পারে না। আল্লাহ ছুরত আদমের মধ্যে খুজেঁ বাহির করা দুঃসাধ্য ব্যাপার। এ জটিল ব্যাপার আপনাকে সমাধান দিবেন যিনি তিনিই আপনার প্রকৃত পীর। অবশ্য পীরের সকল আদেশ উপদেশ মেনেই তা আপনাকে অর্জন করতে হবে।

✍ মুরিদের অবগত থাকা দরকার পীর হতে মুরিদ কি পেতে পারেন? তা কিন্ত নামাজ রোজা, হজ্ব, যাকাত, তাসবিহ, তা'লিল নয়। মুরিদ পীরের নিকট হতে জানা দরকার যা মুরিদ জানে না, চেনা দরকার যা মুরিদ নিজে চিনে না, বুঝা দরকার যা তিনি বুঝেন না৷

✍ আল্লাহর গোপন রহস্য আদম ছুরত, তার তত্ত্ব জ্ঞান মুরিদ পীরের নিকট হতে লাভ করবেন; অবশ্যই পীরের শর্ত সাপেক্ষে।

✍ আল্লাহ ও রাসুলের অস্থিত্ব প্রমাণে দলিল মূলে পীর হতে শিক্ষা লাভ করুন এবং প্রত্যাবর্তনকালে আমানত নিয়ে সফলভাবে প্রত্যাবর্তন করুন।

✍ যথার্থ ইসলাম অর্জন কর যেন ঈমান পর্যন্ত পৌঁছাতে পার। অতঃপর যথার্থ ঈমান গ্রহণ কর যেন ইয়াকিন পর্যন্ত পৌঁছাতে সক্ষম হও। তখন তুমি এমন বস্তু দেখবে যা ইয়াকিনের পূর্বে দেখ নাই। ইয়াকিন তোমাকে প্রতিটি বস্তুর আসল রূপ দেখাবে।

✍ প্রেমিক ও প্রেমাস্পদের মিলনের আকর্ষণেই প্রেম, প্রেম দ্বারা আল্লাহ প্রাপ্তির শীঘ্র সাধন হয়। প্রেমের পরিণাম ও উদ্দেশ্য মিলন বা বেছাল। আল্লাহ যখন আমার জাত বা মূল তখন আমাকে আমার জাত বা মূলের প্রতি প্রত্যাবর্তীত হয়ে মিলিত হতে হবে।

✍ পীরের কাছ থেকে শিখার বিষয় হলো অদৃশ্যের দর্শন, অজ্ঞাত বস্তু জ্ঞাত হওয়া, অশ্রুত বিষয় শ্রবণ করা অর্থাৎ আল্লাহ, মোহাম্মদ এবং ফেরেস্তাসহ নানাবিধ অজানাকে জানা অচেনাকে চেনা।


YouTube Video: 


—আল্লামা ছুফি ছৈয়দ জাফর ছাদেক শাহ (মা.)’ পীর ছাহেব, রাহে ভান্ডার সিলসিলা। চট্টগ্রাম দরবার শরীফ। বোয়ালখালী, চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ।

Tuesday, February 23, 2021

আমার মন পাখি মিশিতে চায়, গিয়ে ঐ সব পাখির দলে | মনমোহন দত্ত | অমৃত বাণী Amrit Saying's


 

আমার মন পাখি মিশিতে চায়

গিয়ে ঐ সব পাখীর দলে

মন পাখি মিশিতে চায়।

যেসব পাখি ফাঁকি দিয়ে।।

ঘুরে বেড়ায় বন জঙ্গলে৷

মন পাখি মিশিতে চায়।

গিয়ে ঐ সব পাখীর দলে

মন পাখি মিশিতে চায়।


কত করে করি মানা,

পাখীরে বাসা ছেড় না।।

সে আমার কথা শুনে না

তার সনে পারিনা বলে।

মন পাখি মিশিতে চায়

গিয়ে ঐ সব পাখীর দলে

মন পাখি মিশিতে চায়।


শিকলি কেটে ময়না টিয়া,

ঐ সব পাখীর দলে গিয়া।।

আবোল তাবোল বোল্ বলিয়া

হারা হতে চায় মূলে৷

মন পাখি মিশিতে চায়

গিয়ে ঐ সব পাখীর দলে

মন পাখি মিশিতে চায়।


ওরে রে ও জঙ্গলা পাখি,

আর তুমি দিওনা ফাঁকি।।

মনোমোহনের মন আঁখি

কেমনে রাখি উলটা চলে

মন পাখি মিশিতে চায়

গিয়ে ঐ সব পাখীর দলে

মন পাখি মিশিতে চায়

যেসব পাখি ফাঁকি দিয়ে।।

ঘুরে বেড়ায় বন জঙ্গলে

মন পাখি মিশিতে চায়

গিয়ে ঐ সব পাখীর দলে

মন পাখি মিশিতে চায়।


গীতিকারঃ মহর্ষি মনোমোহন দত্ত



Admin:  SHAHAB UDDIN




Monday, February 22, 2021

(মসনভি শরীফ) হতে আল্লামা জালালুদ্দিন রুমি (রহ.) এর কিছু কামাল





آدمی چوں نور گيرد از خدا 
ہست مسجود ملائك زاجتبا

"মানুষ যখন আল্লাহর পক্ষ থেকে নুর প্রাপ্ত হয়, আল্লাহর পক্ষ থেকে নির্বাচিত হয়ে ফেরেশতাদের সিজদা পাওয়ার উপযুক্ত হয়।"

نيز مسجود كسے كو چوں ملك 
رستہ باشد جانش از طغيان وشك

"ফেরেশতাতূল্য ঐ ব্যক্তিরও সিজদার  উপযুক্ত হয়, যার প্রাণ অবাধ্যতা ও সংশয় মুক্ত হয়।"

ابلها تعظيم مسجد مي كنند 
در جفائے اهل دل جد مي كنند 

"আহাম্মকরা মসজিদের প্রতি সন্মান দেখায়
আর আহলে দিলের (আরশুল্লাহ) অন্তরে কুঠারাঘাত দেয়।"

آں مجازست ايں حقيقت أى خراں
نيست مسجد جز دروں سروراں 

"এটি রূপক আর ঐটি প্রকৃত (মসজিদ) জান হে গর্দভ, ঐ ধর্মের বাদশাগণ (ধর্ম জ্ঞানী) ছাড়া আর কোথাও কোন মসজিদ নাই।"
تا دل مرد خدا ما مد بدرد 
ہيچ قومےرا خدا رسوا نہ كرد

যতক্ষণ পর্যন্ত আল্লাহ প্রাপ্ত গণের অন্তরে আঘাত না হানে, ততক্ষণ পর্যন্ত আল্লাহ কোন জাতিকে লাঞ্ছিত করেন নি।

قصد جنگ انبياء ميداشتند
جسم ديدند انچہ مى پنداشتند

কাফেররা তাদের (নবীগণের) দৈহিক গঠন দেখে তাদের মত মনে করেছিল, তাই তাদের সাথে যুদ্ধের ইচ্ছে করেছিল।

مسجدى كو اندروں اولياست  
سجدہ گاه جملہ است آنجا خداست

"একটিই মসজিদ যা ঐ অলিগণের মধ্যে, এটিই আল্লাহর অবস্থান স্থল, এটিই সবার (প্রকৃত) সিজদার স্থান।"

(মসনভি শরীফ)
—আল্লামা জালালুদ্দিন রুমি (রহ.)

ছুফি কবি হযরত ওমর খৈয়াম (রহ.)’ এর মহামূল্যবান অমৃত বাণী Amrit Saying's


"পৃথিবী ছাড়িয়ে, দূরতম আকাশের ওপারে আমি স্বর্গ ও নরক খোঁজার চেষ্টা করি। তারপর আমি একটা গম্ভীর কণ্ঠ শুনি: ‘স্বর্গ ও নরক তোমার ভেতরেই আছে।"

"তোমার হৃদয়ে যেদিন ভালোবাসা থাকবে না, সে দিনটাই অপচয় হলো।"

"আমি যখন বর্তমান সম্পর্কে জানতে চাই অথবা ভবিষ্যৎ সম্পর্কে, তখন অতীতের দিকে ফিরে তাকাই।"

"চলে যাওয়া অতীত আর অনাগত ভবিষ্যৎ নিয়ে এতো দুশ্চিন্তা কেনো যদি আজকের দিনটা মিষ্টি হয়।"

"তিনটি জিনিসের মূল্য তিন শ্রেণির মানুষ ভালো বুঝতে পারে। যৌবনের মূল্য বুঝে বৃদ্ধ, স্বাস্থ্যের গুরুত্ব বুঝে অসুস্থ ও সম্পদের প্রয়োজনীয়তা বুঝে অভাবী।"

"এই মুহূর্তের জন্য খুশি হও। এই মুহূর্তটিই তোমার জীবন।"

"বিশ্বাস ও অবিশ্বাসের স্বাধীনতাই আমার কাছে ধর্ম।"

"অনেক দুঃখে যখন তুমি পথ চলতে পারবে না, আর কাঁদতে পারবে না, তখন বৃষ্টির পর ঝকঝকে সবুজ পাতাগুলো নিয়ে ভাবো। দিনের আলো যখন তোমাকে ক্লান্ত করে, তুমি আশা করো দুনিয়াজুড়ে চূড়ান্ত একটি রাত, তখন একটি ছোট্ট শিশুর জেগে থাকা নিয়ে ভাবো।"

"একটা জলের ফোঁটা সমুদ্রের সঙ্গে মিশে গেলো। ধুলোর একটি ঝাঁক পৃথিবীর সঙ্গে মিশে গেলো। পৃথিবীতে তোমার এই আসা ও ছেড়ে যাওয়া কেমন, একটি মাছি উড়ে এলো, আবার অদৃশ্য হয়ে গেল।"

"গোলাপ ফোটে একবার, ফুটে চিরকালের জন্য মরে যায়।"

"হৃদয়ে যখন প্রেমের গোলাপের চারা রোপন করলে তোমার জীবন বৃথা যায়নি।"

"সুখের পেছনে ছুটো না। দীর্ঘশ্বাসের মতো জীবনও ছোট।"

"নিরর্থক সাধনা ও অহেতুক বিতর্কে সময় নষ্ট করো না।"

"স্বাধীনভাবে চিন্তা করো এবং মুক্তমন দিয়ে দেখো স্বর্গ। প্রত্যেককে ক্ষমা করো, কাউকে দুঃখ দিও না।"

"জীবন একটি ভ্রমণ এবং ভ্রমণকারী দু’বার বাঁচে।"

"ন্যায়বিচার হলো বিশ্বজগতের প্রাণ।"

"পৃথিবীতে আমি পানির মতো এসেছি, কিন্তু চলে যাবো বাতাসের মতো।"

"প্রতিদিন ভোরে যেমন একটি নতুন দিন জন্ম নেয়, তেমনি একটা দিন কমে যায়।"

"ধন্য যারা এই পৃথিবী কখনও দেখেনি।"

"শুধু বর্তমানের স্বাদ নাও, অতীত থেকে কেবল গন্ধ আসে মৃতদের।"

"দুই ধরণের চোখ রয়েছে, দেহের চোখ ও আত্মার চোখ। দেহের চোখ মাঝে মাঝে ভুলতে পারে, কিন্তু আত্মার চোখ সবসময় স্মরণ করে।"

"সত্য ও মিথ্যার মাঝের দূরত্ব হলো একটি চুল পরিমাণ।"

"আস্তিনের ধুলো ঝাড়ো যত্ন নিয়ে, একদিন এই ধুলোই ছিলো সুন্দর একটি মুখ।"

"মন্দির যদি মানুষের ভেতরেই থাকে, তাহলে পূজারীরা বাইরে মাথা ঝাঁকায় কেন?"

"চিন্তাশীল আত্মা থেকে একাকীত্ব অবসর নেয়।"

"যদি শান্তি ও নির্মলতায় পৌঁছতে চাও তাহলে পুরো পৃথিবীর বেদনা ঝেড়ে ফেলো।"

"চলমান আঙুল লিখে চলে, লিখে চলে আদেশপত্র।"

"যার একজনমাত্র শত্রু আছে, তার সঙ্গেই সব জায়গায় দেখা হয়ে যায়।"

"গোপনীয়তা অমানুষদের কাছ থেকে দূরে রাখা উচিত ও রহস্য বোকাদের কাছ থেকে লুকিয়ে রাখা উচিত।"

"যে ফুলটি প্রস্ফুটিত হলো একসময় তাকে মরতেই হবে।"

—ছুফি কবি হযরত ওমর খৈয়াম (রহ.)
অমৃত বাণী Amrit Saying's
Admin:


E-mail:
shahab2info@gmail.com


Thursday, February 18, 2021

Saturday, January 23, 2021

Today! 10 Magh 1427 | 24 January 2021 | Holy 115th URS Sharif of Gausul Azam Hazrat Maulana ShahSufi Syed Ahmad Ullah Maizbhandari (Q.)



“Ya Gausul Azam Maizbhandari (Q.)”


Today! 10 Magh 1427 | 24 January 2021 | Holy 115th URS Sharif of Gausul Azam Hazrat Maulana Shahsufi Syed Ahmad Ullah Maizbhandari (Q.)





Ya Gausul Azam Maizbhandari (Q.)

at. Maizbhandar Darbar Sharif, Chattogram, Bangladesh. 




হযরত মাওলানা জালালুদ্দিন রুমি (রহ.)’র মহা পবিত্র কালাম/অমৃত বাণী মোবারক - Amrit Saying&#39;s - Sufi Saying&#39;s

1. হারিয়ে না গেলে পাওয়া সম্ভব নয়। 2. আকাশ কেবল হৃদয় দিয়েই ছোঁয়া যায়। 3. প্রদীপগুলো আলাদা কিন্তু আলো একই। 4. যা তোমাকে পরিশুদ্ধ করে, স...